- আদ্যবর্ণ- কোনো শব্দের প্রথম বর্ণটি হচ্ছে আদ্যবর্ণ। যেমন- কলা এখানে ক হচ্ছে আদ্যবর্ণ।
- পূর্বপদ ও পরপদ। বিদ্যা + আলয় এখানে বিদ্যা হচ্ছে পূর্বপদ আর আলয় হচ্ছে পরপদ।
- ক-বর্গীয় ধ্বনি (কণ্ঠ ধ্বনি) ক খ গ ঘ ঙ
- চ-বর্গীয় ধ্বনি (তালব্য ধ্বনি) চ ছ জ ঝ ঞ
- ট-বর্গীয় ধ্বনি (মূর্ধন্য ধ্বনি) ট ঠ ড ঢ ণ
- ত-বর্গীয় ধ্বনি (দন্ত্য ধ্বনি) ত থ দ ধ ন
- প-বর্গীয় ধ্বনি (ওষ্ঠ্য ধ্বনি) প ফ ব ভ ম
ধর্ম + অধর্ম = ধর্মাধর্ম,
নব + অন্ন = নবান্ন,
নর + অধম = নরাধম,
নীল + অঞ্জন = নীলাঞ্জন,
প্রাণ + অধিক = প্রাণাধিক,
পীত + অম্বর = পীতাম্বর,
বেদ + অন্ত = বেদান্ত,
শেষ + অংশ = শেষাংশ,
স + অনুনাসিক = সানুনাসিক,
সৈন্য + অধ্যক্ষ = সৈন্যাধ্যক্ষ,
স্ব + অধীন = স্বাধীন,
হস্ত + অন্তর = হস্তান্তর,
হিত + অহিত = হিতাহিত,
হিম + অচল = হিমাচল
স্ব + অধীন = স্বাধীন,
হস্ত + অন্তর = হস্তান্তর,
হিত + অহিত = হিতাহিত,
হিম + অচল = হিমাচল
[অঞ্জন- Anjan, অধম- vile, অধর্ম- unrighteousness, অধিক- more, অধীন- under, অচল- immobilized, অনুনাসিক- nasal,
অন্তর- heart, অন্ন- food, অম্বর-sky, অহিত -harm, ধর্ম- religion, ধর্মাধর্ম- Religion, নব- new, নবান্ন- harvest festival, নর- male, নরাধম- wretch, নীল- blue, নীলাঞ্জন-Nilanjan, পীত- yellow, পীতাম্বর- Pitambara, প্রাণ- soul, প্রাণাধিক- more than life, স্ব- self, সানুনাসিক- nasal, স্বাধীন- independent, হস্ত- hand, হস্তান্তর- transfer, হিত- welfare, হিতাহিত- right and wrong, হিম- frost, হিমাচল- Himachal]
👉 অ + আ = আ-কার হয়। যেমন-
চন্দ্র + আনন = চন্দ্রানন,
দেব + আলয় = দেবালয়,
প্রেম + আনন্দ = প্রেমানন্দ,
ভাগ্য + আকাশ = ভাগ্যাকাশ,
রত্ন + আকর = রত্নাকর,
সিংহ + আসন = সিংহাসন,
স্নেহ + আর্দ্র = স্নেহার্দ্র,
হিম + আনী = হিমানী,
হিম + আলয় = হিমালয়
[আকর- size, আনন- face, আনী- Annie, আলয়- home, আসন- seat, চন্দ্র- Moon, চন্দ্রানন- Chandranan, দেব- deity,
দেবালয়- Devalaya, রত্নাকর- jeweler, রত্ন-stone, সিংহ- lion, সিংহাসন- throne, হিম- frost, হিমানী- Himani, হিমালয়- Himalayas]
👉 অ + ই = ই (অ-লোপে) হয়। এটি বাংলা স্বরসন্ধি। যেমন-
তাঁত + ই = তাঁতি।
👉 অ + ই = এ-কার হয়। যেমন-
ঈশ্বর + ইচ্ছা = ইশ্বরেচ্ছা,
নর + ইন্দ্র = নরেন্দ্র,
রাজ + ইন্দ্র = রাজেন্দ্র,
শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা,
স্ব + ইচ্ছা = স্বেচ্ছা
👉 অ + ঈ = এ-কার হয়। যেমন-
অপ + ঈক্ষা = অপেক্ষা,
পরম + ঈশ = পরমেশ
পরম + ঈশ্বর = পরমেশ্বর
[ঈশ- god]
👉 অ + উ = উ (অ-লোপে) হয়। এটি বাংলা স্বরসন্ধি। যেমন-
দুষ্ট + উ = দুষ্টু।
👉 অ + ঋ = অর/আর হয়। যেমন-
দেব + ঋষি = দেবর্ষি,
শীত + ঋত = শীতার্ত
👉 অ + এ = এ (অ-লোপে) হয়। এটি বাংলা স্বরসন্ধি। যেমন-
এক + এক = একেক,
অর্ধ + এক = অর্ধেক,
কত + এক = কতেক,
কয় + এক = কয়েক.
তিল + এক = তিলেক.
মাস + এক = মাসেক,
শত + এক = শতেক
👉 অ + এ = ঐ-কার হয়। যেমন-
জন + এক = জনৈক
👉 অ + ঐ = ঐ হয়। যেমন-
মত + ঐক্য = মতৈক্য,
হিত + ঐষী = হিতৈষী
👉 অ/আ + উ/ঊ = ও-কার
1. অরুণ + উদয় = অরুণোদয় [অরুণ অর্থ ভোরের সূর্যের রঙ এবং উদয় অর্থ উঠা]- সূর্যের উদয়
অরুণোদয়ের সোনালি আলোয় প্রকৃতি যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেল।
2. অরুণ + উজ্জ্বল = অরুণোজ্জ্বল অরুণ আলোয় উজ্জ্বল
অরুণোজ্জ্বল প্রভাতে পাখির কলকাকলিতে চারদিক মুখরিত হয়ে উঠল।
3. অরুণ + উদ্ভাস = অরুণোদ্ভাস অরুণ আভায় প্রকাশ
অরুণোদ্ভাসে ভোরের আকাশ অপূর্ব সৌন্দর্যে রাঙিয়ে উঠল।
4. অরুণ + উদ্ভাসিত = অরুণোদ্ভাসিত অরুণ আলোয় উদ্ভাসিত
অরুণোদ্ভাসিত প্রভাতে শিশিরভেজা প্রকৃতি অপূর্ব সৌন্দর্যে সেজে উঠল।
5. অরুণ + উচ্ছ্বাস = অরুণোচ্ছ্বাস অরুণ আলোর উচ্ছ্বাস
অরুণোচ্ছ্বাসে ভোরের আকাশ নতুন দিনের আশায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠল।
6. অরুণ + উন্মেষ = অরুণোন্মেষ অরুণের নতুন প্রকাশ
অরুণোন্মেষের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতি নতুন দিনের সজীবতায় জেগে উঠল।
7. অরুণ + উত্থান = অরুণোত্থান অরুণের উদয়
অরুণোত্থানের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব আকাশে সোনালি আলোর ছটা ছড়িয়ে পড়ল।
8. অরুণ + উদ্ভব = অরুণোদ্ভব অরুণের উদ্ভব
অরুণোদ্ভবের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব আকাশ রক্তিম আভায় রাঙিয়ে উঠল।
9. অন্ত + উদয় = অন্তোদয় [অন্ত অর্থ শেষ, সমাপ্তি বা পরিসমাপ্তি]- অন্তে বা শেষে উদয়
দীর্ঘ সংগ্রামের পর তাঁর জীবনে সাফল্যের অন্তোদয় ঘটল।
10. অন্ত + উদ্ভব = অন্তোদ্ভব অন্ত থেকে উৎপত্তি
মানুষের অন্তোদ্ভব সৃজনশীলতাই একদিন তাকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেয়।
11. অন্ত + উদ্গম = অন্তোদ্গম অন্ত থেকে উত্থান
কবির অন্তোদ্গম অনুভূতি তাঁর কবিতায় গভীর মানবিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে।
12. অন্ত + উদ্ভাস = অন্তোদ্ভাস অন্তে প্রকাশ
তাঁর মুখের হাসিতে অন্তরের নির্মলতার অন্তোদ্ভাস স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।
13. অন্ত + উন্মেষ = অন্তোন্মেষ অন্তে বিকাশ/প্রকাশ
সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে তরুণ কবির অন্তোন্মেষ ঘটল, আর তাঁর প্রতিভা সবার নজর কাড়ল।
14. অন্ত + উচ্ছ্বাস = অন্তোচ্ছ্বাস অন্তরের প্রবল আবেগের প্রকাশ
দেশের বিজয়ের সংবাদে মানুষের অন্তোচ্ছ্বাসে চারপাশ আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠল।
15. অন্ত + উপকার = অন্তোপকার অন্তে/শেষে উপকার
নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করে তিনি সমাজের অন্তোপকারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
16. অন্ত + উপদেশ = অন্তোপদেশ অন্তিম উপদেশ
মায়ের অন্তোপদেশ মেনে চলেই রাহুল জীবনে সাফল্যের পথে এগিয়ে গেল।
17. অন্ত + উৎস = অন্তোৎস অন্তের উৎস
মানুষের অন্তোৎস থেকে উৎসারিত ভালোবাসাই সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করে।
18. অন্ত + উত্থান = অন্তোত্থান অন্ত থেকে উত্থান
দেশের প্রতি ভালোবাসার অন্তোত্থান তরুণদের মনে নতুন দেশপ্রেমের জাগরণ সৃষ্টি করেছে।
19. অংশ + উদয় = অংশোদয় অংশের উদয়/প্রকাশ
নতুন প্রযুক্তির কারণে শিক্ষাব্যবস্থায় ডিজিটাল শিক্ষার অংশোদয় ঘটেছে।
20. অংশ + উদ্ভব = অংশোদ্ভব কোনো অংশ থেকে উৎপত্তি
এই প্রাচীন স্থাপনাটির অংশোদ্ভব নকশা আজও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
21. অংশ + উন্নতি = অংশোন্নতি কোনো অংশের উন্নতি
দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সমান অংশোন্নতি নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
22. অংশ + উপকার = অংশোপকার অংশের উপকার
সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের অংশোপকারে এগিয়ে আসা প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।
23. অংশ + উপদেশ = অংশোপদেশ অংশ-সম্পর্কিত উপদেশ
শিক্ষকের অংশোপদেশ মেনে ছাত্রটি তার পড়াশোনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে।
24. অংশ + উত্থান = অংশোত্থান অংশের উত্থান
দেশের প্রতিটি অঞ্চলের অংশোত্থানের জন্য সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
25. অংশ + উচ্ছ্বাস = অংশোচ্ছ্বাস অংশের উচ্ছ্বাস
বিজয়ের সংবাদে জনতার অংশোচ্ছ্বাসে পুরো মাঠটি আনন্দমুখর হয়ে উঠেছিল।
26. অংশ + উন্মেষ = অংশোন্মেষ অংশের বিকাশ/প্রকাশ
শিক্ষার প্রসারের ফলে সমাজের প্রতিটি অংশে জ্ঞান ও সচেতনতার অংশোন্মেষ ঘটেছে।
27. এক + উন = একোন; একের চেয়ে এক কম
একোন শত = একশ থেকে এক কম = ৯৯।
একোন শত মানুষ সভায় উপস্থিত ছিল।
28. এক + উদয় = একোদয় একের উদয়
সূর্যের একোদয়ে চারদিক সোনালি আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠল।
29. এক + উন্মুখ = একোন্মুখ একদিকে মুখ করা
দেশের কল্যাণে তরুণ সমাজ আজ একোন্মুখ হয়ে এগিয়ে চলেছে।
30. কুশিয়ারা + ঊর্মি→ কুশিয়ারোর্মি কুশিয়ারা নদীর ঢেউ
কুশিয়ারোর্মির কলতানে নদীর তীর মুখরিত হয়ে ওঠে।
31. গঙ্গা + উদ্ভব = গঙ্গোদ্ভব [উদ্ভব অর্থ: উৎপত্তি, সৃষ্টি, আবির্ভাব বা শুরু হওয়া]- গঙ্গার উৎপত্তি
গঙ্গোদ্ভবের পবিত্র স্থান দর্শন করতে প্রতি বছর অসংখ্য তীর্থযাত্রী সেখানে যান।
32. গঙ্গা + উদয় = গঙ্গোদয় গঙ্গার উদয়
প্রভাতের আলোয় গঙ্গোদয়ের দৃশ্য অপূর্ব সুন্দর
33. গঙ্গা + উৎসব = গঙ্গোৎসব গঙ্গাকে কেন্দ্র করে উৎসব
প্রতি বছর গঙ্গোৎসবে বহু মানুষ সমবেত হয়।
34. গঙ্গা + উচ্ছ্বাস = গঙ্গোচ্ছ্বাস গঙ্গার উচ্ছ্বাস
বর্ষায় গঙ্গোচ্ছ্বাসে নদীর তীর প্লাবিত হয়।
35. গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি [গঙ্গা একটি নদীর নাম। ঊর্মি অর্থ ঢেউ।]- গঙ্গার ঢেউ
বর্ষাকালে গঙ্গোর্মির তীব্র স্রোতে নদীর দুই তীর প্লাবিত হয়।
36. গৃহ + উদ্ভব = গৃহোদ্ভব গৃহ থেকে উৎপত্তি
গৃহোদ্ভব শিল্পকর্মটি তার নান্দনিক সৌন্দর্যের জন্য সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে।
37. গৃহ + ঊর্ধ্ব = গৃহোর্ধ্ব গৃহের উপরিভাগে / বাড়ির উপরে।
পাখিটি গৃহোর্ধ্ব আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে।
38. চন্দ্র + উদয় = চন্দ্রোদয় চাঁদের উদয়
নির্মল আকাশে চন্দ্রোদয়ের মনোরম দৃশ্য দেখে সবাই মুগ্ধ হলো।
39. চন্দ্র + উপাসনা = চন্দ্রোপাসনা চন্দ্রের উপাসনা
প্রাচীনকালে অনেক মানুষ পূর্ণিমার রাতে চন্দ্রোপাসনা করত।
40. চন্দ্র + উপম = চন্দ্রোপম চন্দ্রের মতো
তার চন্দ্রোপম মুখের মাধুর্য সবাইকে মুগ্ধ করেছিল।
41. চঞ্চল + ঊর্মি = চঞ্চলোর্মি
নদীর চঞ্চলোর্মি দেখে মাঝিরা নৌকা তীরে ভিড়িয়ে দিল।
42. চল + ঊর্মি→ চলোর্মি চলমান ঢেউ
নদীর চলোর্মি দেখে মনে হলো, তার বুকে যেন ঢেউয়ের খেলা চলছে।
43. ছাত্র + উপকার = ছাত্রোপকার ছাত্রের উপকার
ছাত্রোপকারে শিক্ষকের আন্তরিকতা ও মানবিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।
44. জল + উচ্ছ্বাস = জলোচ্ছ্বাস [এখানে উচ্ছ্বাস বলতে জল প্রবলভাবে ফুলে ওঠা]- সমুদ্রের প্রবল ঢেউ
জলোচ্ছ্বাস থেকে মানুষকে রক্ষা করতে উপকূলে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।
45. জ্ঞান + উন্মেষ = জ্ঞানোম্মেষ জ্ঞানের বিকাশ
শিক্ষার আলো মানুষের মনে জ্ঞানোম্মেষ ঘটিয়ে তাকে সত্য ও সুন্দরকে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে।
46. তপ + উজ্জ্বল = তপোজ্জ্বল [তপ অর্থ তপস্যা, সাধনা বা কঠোর সাধন]- তপস্যায় উজ্জ্বল
ঋষির তপোজ্জ্বল মুখমণ্ডল দেখে সবাই শ্রদ্ধায় নত হলো।
47. তিস্তা + ঊর্মি→ তিস্তোর্মি
বর্ষাকালে তিস্তোর্মির তীব্র স্রোতে নদীর পাড় ভেঙে যায়।
48. ধর্ম + উপদেশ = ধর্মোপদেশ ধর্মীয় উপদেশ
আচার্য তাঁর শিষ্যদের নৈতিক জীবনযাপনের জন্য মূল্যবান ধর্মোপদেশ দিলেন।
49. নব + উদয় = নবোদয় নতুনের উদয়
পূর্ব আকাশে সূর্যের নবোদয়ে প্রকৃতি সোনালি আলোয় ভরে উঠল।
50. নব + উন্মেষ = নবোন্মেষ [উন্মেষ অর্থ প্রকাশ, বিকাশ, উদ্ভব বা জেগে ওঠা।]- নতুন বিকাশ
বসন্তের আগমনে প্রকৃতিতে ফুলের নবোন্মেষ ঘটে।
51. নর + উত্তম→ নরোত্তম শ্রেষ্ঠ মানুষ
সততা, ন্যায় ও মানবতার আদর্শে যিনি জীবন পরিচালনা করেন, তিনিই প্রকৃত নরোত্তম।
52. নীল + উৎপল = নীলোৎপল নীল পদ্ম বা নীল রঙের পদ্মফুল
শান্ত সরোবরে ফুটে থাকা নীলোৎপল প্রকৃতির সৌন্দর্যকে আরও মনোমুগ্ধকর করে তুলেছে।
53. নব + ঊঢ়া = নবোঢ়া
নবোঢ়া কনের মুখে লজ্জার আভা ফুটে উঠেছিল।
54. পর্বত + ঊর্ধ্ব = পর্বতোর্ধ্ব
পর্বতোর্ধ্ব আকাশে সূর্যের সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়তেই চারপাশ অপূর্ব সুন্দর হয়ে উঠল।
55. পর + উপদেশ = পরোপদেশ অন্যের উপদেশ
পরোপদেশ দেওয়ার আগে নিজের জীবনে সেই উপদেশ মেনে চলা উচিত।
56. পর + উপকারী = পরোপকারী অন্যের উপকারকারী
পরোপকারী মানুষ নিজের স্বার্থের কথা না ভেবে সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়।
57. পর + উপকার→ পরোপকার অন্যের উপকার
অসহায় মানুষের পরোপকারে এগিয়ে আসা উচিত।
58. পদ্মা + ঊর্মি = পদ্মোর্মি পদ্মার ঢেউ
বর্ষাকালে পদ্মোর্মির তীব্র ঢেউয়ে নদীর তীর ভেঙে যায়।
59. বিদ্যা + উপার্জন = বিদ্যোপার্জন বিদ্যা অর্জন
জীবনে সফল হতে হলে নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে বিদ্যোপার্জন করা অত্যন্ত জরুরি।
60. ব্রহ্ম + উদ্ভব = ব্রহ্মোদ্ভব ব্রহ্ম থেকে উৎপত্তি
পুরাণের কাহিনিতে ব্রহ্মোদ্ভব সৃষ্টিতত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়।
61. বুড়িগঙ্গা + ঊর্মি = বুড়িগঙ্গোর্মি
সন্ধ্যার মৃদু বাতাসে বুড়িগঙ্গোর্মির ঢেউগুলো নদীর বুকে অপূর্ব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে।
62. মহা + উদয় = মহোদয়
মহোদয়, আপনার মূল্যবান পরামর্শ আমাদের কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে।
63. মহা + উদধি = মহোদধি উদধি = সমুদ্র
মহোদধির বিশাল ঢেউ দেখে পর্যটকেরা মুগ্ধ হয়ে গেল।
64. মহা + উৎসব→ মহোৎসব বড় উৎসব
গ্রামে প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মহোৎসবের আয়োজন করা হয়।
65. মন + উল্লাস = মনোল্লাস মনের আনন্দ
শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে সমাজে নবোদয় ঘটতে পারে।
66. মহা + ঊর্মি = মহোর্মি প্রবল ঢেউ
সমুদ্রের মহোর্মি তীরে আছড়ে পড়ে প্রকৃতির অপরূপ শক্তির জানান দিল।
67. মেঘনা + ঊর্মি = মেঘনোর্মি মেঘনার ঢেউ
জোছনা রাতে মেঘনোর্মির মৃদু ঢেউ নদীর বুকে অপূর্ব সৌন্দর্য সৃষ্টি করে।
68. যথা + উপযুক্ত = যথোপযুক্ত যথাযথ উপযুক্ত
সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
69. যথা + উচিত = যথোচিত যথাযথ/উপযুক্ত
অতিথিকে যথোচিত সম্মান জানানো আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব।
70. যমুনা + ঊর্মি = যমুনোর্মি যমুনার ঢেউ
সকালের মিষ্টি বাতাসে যমুনোর্মির ঢেউগুলো নদীর বুকে অপূর্ব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে।
71. রাজা + উপাধি = রাজোপাধি রাজার উপাধি
যোগ্যতা ও বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজা তাঁকে রাজোপাধি প্রদান করেন।
72. রূপসা + ঊর্মি = রূপসোর্মি রূপসা নদীর ঢেউ
সোনালি সূর্যের আলোয় রূপসোর্মির ঝিলমিল ঢেউ নদীর সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তোলে।
73. লোক + উপকার→ লোকোপকার মানুষের উপকার
অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সেবা করাই লোকোপকারের অন্যতম কাজ।
74. শুভ + উদয়→ শুভোদয় শুভ উদয়
নতুন বছরের শুভোদয়ে সবার জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আসুক।
75. শুভ + উপদেশ = শুভোপদেশ কল্যাণকর উপদেশ
বয়োজ্যেষ্ঠদের শুভোপদেশ মেনে চললে জীবনে সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়।
76. শীতলক্ষ্যা + ঊর্মি = শীতলক্ষ্যোর্মি
ভোরের মৃদু বাতাসে শীতলক্ষ্যোর্মির ঢেউ নদীর বুকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করে।
77. স্ব + উপার্জিত- স্বোপার্জিত নিজে উপার্জিত
স্বোপার্জিত অর্থ দিয়ে সে নিজের পরিবারের প্রয়োজন মেটায় এবং ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করে।
78. স্ব + উপার্জন = স্বোপার্জন নিজের উপার্জন
স্বোপার্জন মানুষের আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করে।
79. স্ব + উদ্যোগ = স্বোদ্যোগ
স্বোদ্যোগে কাজ করলে মানুষ নিজের যোগ্যতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে পারে।
80. সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়
সূর্যোদয়ের সোনালি আলোয় পাহাড় ও নদীর চারপাশ অপূর্ব সুন্দর হয়ে উঠল।
81. সর্ব + উপরি = সর্বোপরি সবার উপরে/সবশেষে
সর্বোপরি, জীবনে সফল হতে হলে সততা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়কে গুরুত্ব দিতে হবে।
82. সূর্য + উদয় = সূর্যোদয় সূর্যের উদয়
সূর্যোদয়ের মুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে ভোরে সবাই সমুদ্রসৈকতে জড়ো হলো।
83. সুরমা + ঊর্মি = সুরমোর্মি সুরমার ঢেউ
সুরমোর্মির মৃদু ঢেউয়ে নৌকাটি ধীরে ধীরে নদীর বুকে এগিয়ে চলল।
84. হিত + উপদেশ = হিতোপদেশ
বাবার হিতোপদেশ মেনে চলায় রাহুল জীবনে সঠিক পথে এগিয়ে যেতে পেরেছে।
85. হালদা + ঊর্মি = হালদোর্মি হালদা নদীর ঢেউ
সকালের কোমল রোদে হালদোর্মির ঢেউগুলো ঝিলমিল করে নদীর সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলল।
উ + ঊ = ঊ
লঘু + ঊর্মি = লঘূর্মি
👉 অ + ও = ঔ হয়। যেমন-
বন + ওষধি = বনৌষধি,
মাংস + ওদন = মাংসৌদন
👉 অ + ঔ = ঔ হয়। যেমন-
দিব্য + ঔষধ = দিব্যৌষধ,
পরম + ঔষধ = পরমৌষধ
👉 অ + ছ = চ্ছ হয় [ স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে চ্ছ হয়]। যেমন-
এক + ছত্র = একচ্ছত্র,
প্র + ছদ = প্রচ্ছদ
বৃক্ষ + ছায়া = বৃক্ষচছায়া
👉 বিসর্গ + অ = ও-কার হয়। যেমন-
ততঃ + অধিক = ততোধিক,
মনঃ + অভিলাষ = মনোভিলাষ
👉 অঃ + গ = ও-কার হয়। যেমন-
মনঃ + গত = মনোগত
👉 অঃ + ঘ = ও-কার হয়। যেমন-
👉 অঃ + জ = ও-কার হয়। যেমন-
সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত
👉 অঃ + দ = ও-কার হয়। যেমন-
ত্রয়ঃ + দশ = ত্রয়োদশ
👉 অঃ + ধ = ও-কার হয়। যেমন-
তিরঃ + ধান = তিরোধান
👉 অঃ + ন = ও-কার হয়। যেমন-
মনঃ + নয়ন = মনোনয়ন
👉 অঃ + ব = ও-কার হয়। যেমন-
তপঃ + বন = তপোবন,
সরঃ + বর = সরোবর
👉 অঃ + ভ = ও-কার হয়। যেমন-
মনঃ + ভাব = মনোভাব
👉 অঃ + ম = ও-কার হয়। যেমন-
অধঃ + মুখ = অধোমুখ,
মনঃ + রম = মনোরম
👉 অঃ + য = ও-কার হয়। যেমন-
মনঃ + যোগ = মনোযোগ
👉 অঃ + র = ও-কার হয়। যেমন-
মনঃ + রম = মনোরম
👉 অঃ + ল = ও-কার হয়। যেমন-
যশঃ + লাভ = যশোলাভ
👉 অঃ + হ = ও-কার হয়। যেমন-
পুরঃ + হিত = পুরোহিত,
মনঃ + হর = মনোহর
পূর্ব পদের অঃ থাকলে এবং পর পদে বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ পরে থাকলে, এবং উভয় মিলে ও-কার হয় এবং উক্ত ও-কার পূর্ব পদে যুক্ত হয়।
আআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআ
👉 আ + অ = আ-কার হয়। যেমন-
আজ্ঞা + অধীন = আজ্ঞাধীন
আশা + অতীত = আশাতীত
ক এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত ক এর স্থানে গ হয়। যেমন- দিক + অন্ত = দিগন্ত।
ক এর পর দ থাকলে উক্ত ক এর স্থানে গ হয়। যেমন- বাগদত্তা fiance = বাক + দত্তা; বাগদান engagement = বাক + দান; বাগদেবী Bagdevi = বাক + দেবী। বাক- speech
ক এর পরে ন থাকলে ক স্থানে গ/ঙ হয়। যেমন- দিগ্নাগ/দিঙ্নাগ = দিক + নাগ; দিগনির্ণয়/দিঙনির্ণয় Dingrinnoy = দিক্ + নির্ণয়।
ক এর পরে ম থাকলে ক স্থানে গ/ঙ হয়। যেমন- বাগ্ময়/বাঙ্ময় = বাক্ + ময়।
চ এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত চ স্থানে জ হয়। যেমন- ণিজন্ত = ণিচ + অন্ত।
চ এর পরে ন থাকলে উভয় মিয়ে ঞ হয়। যেমন- যাঞা- Wish = যাচ + না।
জ এর পরে ন থাকলে উভয় মিলে জ্ঞ হয়। যেমন- রাজ্ঞী = রাজ + নী; যজ্ঞ = যজ + ন।
ট এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত ট স্থানে ড (ড়) হয়। যেমন- ষট + আনন = ষড়ানন।
ত এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত ত স্থানে দ হয়। যেমন- তদবধি = তৎ + অবধি।
ত এর পরে ঘ থাকলে ত স্থানে দ হয়। যেমন- উদঘাটন = উৎ + ঘাটন।
ত এর পর চ থাকলে উক্ত ত এর স্থানে চ হয়। যেমন- সচ্চিন্তা = সৎ + চিন্তা।
ত এর পর ছ থাকলে উক্ত ত স্থানে চ হয়। যেমন- উচ্ছেদ = উৎ + ছেদ।
ত এর পর জ থাকলে উক্ত ত এর স্থানে জ হয়। যেমন- সজ্জন = সৎ + জন; যাবজ্জীবন = যাবৎ + জীবন।
ত এর পরে ঝ থাকলে উক্ত ত এর স্থানে জ হয়। যেমন- কুজঝটিকা = কুৎ + ঝটিকা।
ত এর পর ড থাকলে ত স্থানে ড হয় যেমন- উড্ডীন = উৎ + ডীন।
ত এর পর ন থাকলে উক্ত ত স্থানে ন হয়। যেমন- উন্নয়ন = উৎ + নয়ন; উন্নীত = উৎ + নীত; জগন্নাত = জগৎ + নাথ।
ত এর পরে ব থাকলে ত স্থানে দ হয়। যেমন- উদ্বন্ধন = উৎ + বন্ধন; দিগ্বিজয় = দিৎ + বিজয়।
ত এর পরে ম থাকলে ত স্থানে ন হয়। যেমন- চিন্ময় = চিৎ + ময়; তন্মধ্যে = তৎ + মধ্যে; মৃন্ময় = মৃৎ + ময়।
ত এর পরে য থাকলে ত স্থানে দ হয়। যেমন- উদ্যম = উৎ + যম; উদ্যোগ= উৎ + যোগ।
ত এর পরে র থাকলে ত স্থানে দ হয়। যেমন- তদ্রূপ = তৎ + রূপ।
ত এর পরে ল থাকলে ত স্থানে ল হয়। যেমন- উল্লাস = উৎ + লাস।
👉 ৎ + শ = চ্ছ
ক এর পর দ থাকলে উক্ত ক এর স্থানে গ হয়। যেমন- বাগদত্তা fiance = বাক + দত্তা; বাগদান engagement = বাক + দান; বাগদেবী Bagdevi = বাক + দেবী। বাক- speech
ক এর পরে ন থাকলে ক স্থানে গ/ঙ হয়। যেমন- দিগ্নাগ/দিঙ্নাগ = দিক + নাগ; দিগনির্ণয়/দিঙনির্ণয় Dingrinnoy = দিক্ + নির্ণয়।
ক এর পরে ম থাকলে ক স্থানে গ/ঙ হয়। যেমন- বাগ্ময়/বাঙ্ময় = বাক্ + ময়।
চ এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত চ স্থানে জ হয়। যেমন- ণিজন্ত = ণিচ + অন্ত।
চ এর পরে ন থাকলে উভয় মিয়ে ঞ হয়। যেমন- যাঞা- Wish = যাচ + না।
জ এর পরে ন থাকলে উভয় মিলে জ্ঞ হয়। যেমন- রাজ্ঞী = রাজ + নী; যজ্ঞ = যজ + ন।
ট এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত ট স্থানে ড (ড়) হয়। যেমন- ষট + আনন = ষড়ানন।
ত এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত ত স্থানে দ হয়। যেমন- তদবধি = তৎ + অবধি।
ত এর পরে ঘ থাকলে ত স্থানে দ হয়। যেমন- উদঘাটন = উৎ + ঘাটন।
ত এর পর চ থাকলে উক্ত ত এর স্থানে চ হয়। যেমন- সচ্চিন্তা = সৎ + চিন্তা।
ত এর পর ছ থাকলে উক্ত ত স্থানে চ হয়। যেমন- উচ্ছেদ = উৎ + ছেদ।
ত এর পর জ থাকলে উক্ত ত এর স্থানে জ হয়। যেমন- সজ্জন = সৎ + জন; যাবজ্জীবন = যাবৎ + জীবন।
ত এর পরে ঝ থাকলে উক্ত ত এর স্থানে জ হয়। যেমন- কুজঝটিকা = কুৎ + ঝটিকা।
ত এর পর ড থাকলে ত স্থানে ড হয় যেমন- উড্ডীন = উৎ + ডীন।
ত এর পর ন থাকলে উক্ত ত স্থানে ন হয়। যেমন- উন্নয়ন = উৎ + নয়ন; উন্নীত = উৎ + নীত; জগন্নাত = জগৎ + নাথ।
ত এর পরে ব থাকলে ত স্থানে দ হয়। যেমন- উদ্বন্ধন = উৎ + বন্ধন; দিগ্বিজয় = দিৎ + বিজয়।
ত এর পরে ম থাকলে ত স্থানে ন হয়। যেমন- চিন্ময় = চিৎ + ময়; তন্মধ্যে = তৎ + মধ্যে; মৃন্ময় = মৃৎ + ময়।
ত এর পরে য থাকলে ত স্থানে দ হয়। যেমন- উদ্যম = উৎ + যম; উদ্যোগ= উৎ + যোগ।
ত এর পরে র থাকলে ত স্থানে দ হয়। যেমন- তদ্রূপ = তৎ + রূপ।
ত এর পরে ল থাকলে ত স্থানে ল হয়। যেমন- উল্লাস = উৎ + লাস।
👉 ৎ + শ = চ্ছ
উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাস
উৎ + শিষ্ট = উচ্ছিষ্ট অবশিষ্ট খাবার উৎ + শ্বসিত = উচ্ছ্বসিত আনন্দে অত্যন্ত উৎফুল্ল
উৎ + শেদ = উচ্ছেদ
উৎ + শ্বাসন = উচ্ছ্বাসন
ত এর পর হ থাকলে ত স্থানে দ এবং হ স্থানে ধ হয়। যেমন- উদ্ধার = উৎ + হার।
দ এর পরে ক থাকলে দ স্থানে ৎ হয়। যেমন- তৎকাল = তদ + কাল; হৃৎকম্প = হৃদ + কম্প।
দ এর পর চ থাকলে উক্ত দ স্থানে চ হয়। যেমন- বিপচ্চয় = বিপদ + চয়।
দ এর পর ছ থাকলে উক্ত দ স্থানে চ হয়। যেমন- বিপচ্ছায়া = বিপদ + ছায়া।
দ এর পর জ থাকলে উক্ত দ স্থানে জ হয়। যেমন- বিপজ্জাল = বিপদ + জাল।
দ এর পর ঝ থাকলে উক্ত দ স্থানে জ হয়। যেমন-
দ এর পরে ত থাকলে দ স্থানে ৎ হয়। যেমন-
দ এর পর ড থাকলে দ স্থানে ড হয়। যেমন-
দ এর পরে প থাকলে দ স্থানে ৎ হয়। যেমন- তৎপর = তদ + পর।
দ এর পর শ থাকলে উক্ত দ স্থানে চ এবং শ স্থানে ছ হয়। যেমন-
দ এর পরে স থাকলে দ স্থানে ৎ হয়। যেমন- বিপৎসংকুল = বিপদ + সংকুল; তৎসম = তদ + সম।
দ এর পর হ থাকলে হ স্থানে ধ হয়। যেমন- পদ্ধতি = পদ + হতি।
ধ এর পরে ক থাকলে ধ স্থানে ৎ হয়। যেমন-
ধ এর পরে ত থাকলে ধ স্থানে ৎ হয়। যেমন-
ধ এর পরে প থাকলে ধ স্থানে ৎ হয়। যেমন- ক্ষুৎপিপাসা = ক্ষুধ + পিপাসা।
ধ এর পরে স থাকলে ধ স্থানে ৎ হয়। যেমন-
প এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত প স্থানে ব হয়। যেমন-
ম এর পর যে কোনো বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম ধ্বনিটি সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি হয়। যেমন- শঙ্কা = শম + কা; সঞ্চয় = সম + চয়; সন্তাপ = সম + তাপ।
ম এর পরে ব থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- কিংবা = কিম + বা; সংবরণ = সম + বরণ; সংবাদ = সম + বাদ; স্বয়ংবরা = স্বয়ম + বরা।
ম এর পরে য থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংযম = সম + যম; সংযোগ = সম + যোগ; সংযোজন = সম + যোজন।
ম এর পরে র থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংরক্ষণ = সম + রক্ষণ।
ম এর পরে ল থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংলাপ = সম + লাপ।
ম এর পরে শ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংশয় = সম + শয়; সংশোধন = সম + শোধন।
ম এর পরে ষ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন-
ম এর পরে স থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সর্বংসহা = সর্বম + সহা; সংসার = সম + সার।
ম এর পরে হ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংহার = সম + হার।
ষ-এর পরে ত থাকলে ত স্থানে ট হয়। যেমন- কৃষ্টি = কৃষ্ + তি।
ষ-এর পরে থ থাকলে থ স্থানে ঠ হয়। যেমন- ষষ্ঠ = ষষ্ + থ।
স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে চ্ছ হয়। যেমন- একচ্ছত্র = এক + ছত্র; কথাচ্ছলে = কথা + ছলে; পরিচ্ছদ = পরি + ছদ।
বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি হচ্ছে উত্থান = উৎ + স্থান; উত্থাপন = উৎ + স্থাপন; পরিষ্কার = পরি + কার; পরিষ্কৃত = ; সংস্কৃত = সম + কৃত; সংস্কৃতি = ইত্যাদি।
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি : সন্ধি কোনো নিয়ম অনুসারে হয় না; এগুলোকে নিপাতনে সন্ধি বলে। অক্ষৌহিনী = অক্ষ + উহিণী, অন্যান্য = অন্য + অন্য; আশ্চর্য = আ + চর্য; একাদশ = এক + দশ; কুলটা (কুলাটা নয়) = কুল + অটা; গবাক্ষ (গবক্ষ নয়) = গো + অক্ষ; গোষ্পদ = গো + পদ; তস্কর = তৎ + কর; পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি; পরস্পর = পর + পর; প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়) = প্র + ঊঢ়; বনস্পতি = বন + পতি; বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি; মনীষা = মনস + ঈষা; মার্তণ্ড = মার্ত + অণ্ড; শুদ্ধোদন = শুদ্ধ + ওদন; ষোড়শ = ষট + দশ ইত্যাদি।
বিসর্গ সন্ধিকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন-
র-জাত বিগর্স: র স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে র-জাত বিসর্গ বলে। যেমন- অন্তঃ - অন্তর, অহঃ - অহর, প্রাতঃ - প্রাতর, পুনঃ- পুনর ইত্যাদি। অন্তঃ + গত = অন্তর্গত, অন্তঃ + ধান = অন্তর্ধান, পুনঃ + আয় = পুনরায়, পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত, অহঃ + অহ = অহরহ, পুনঃ + জন্ম = পুনর্জন্ম, পুনঃ + বার = পুনর্বার, প্রাথঃ + উত্থান = প্রাথরুত্থান, অন্তঃ + ভুক্ত = অন্তর্ভুক্ত, অন্তঃ + বর্তী = অন্তবর্তী।
স-জাত বিসর্গ: স স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে স-জাত বিসর্গ বলে। যেমন- নমঃ - নমস, পুরঃ - পুরস, শিরঃ - শিরস ইত্যাদি। নমস্কার = নমঃ + কার; পুরস্কার = পুরঃ + কার। তিরস্কার = তিরঃ + কার, পরিস্কার = পরিঃ + কার
ত এর পর হ থাকলে ত স্থানে দ এবং হ স্থানে ধ হয়। যেমন- উদ্ধার = উৎ + হার।
দ এর পরে ক থাকলে দ স্থানে ৎ হয়। যেমন- তৎকাল = তদ + কাল; হৃৎকম্প = হৃদ + কম্প।
দ এর পর চ থাকলে উক্ত দ স্থানে চ হয়। যেমন- বিপচ্চয় = বিপদ + চয়।
দ এর পর ছ থাকলে উক্ত দ স্থানে চ হয়। যেমন- বিপচ্ছায়া = বিপদ + ছায়া।
দ এর পর জ থাকলে উক্ত দ স্থানে জ হয়। যেমন- বিপজ্জাল = বিপদ + জাল।
দ এর পর ঝ থাকলে উক্ত দ স্থানে জ হয়। যেমন-
দ এর পরে ত থাকলে দ স্থানে ৎ হয়। যেমন-
দ এর পর ড থাকলে দ স্থানে ড হয়। যেমন-
দ এর পরে প থাকলে দ স্থানে ৎ হয়। যেমন- তৎপর = তদ + পর।
দ এর পর শ থাকলে উক্ত দ স্থানে চ এবং শ স্থানে ছ হয়। যেমন-
দ এর পরে স থাকলে দ স্থানে ৎ হয়। যেমন- বিপৎসংকুল = বিপদ + সংকুল; তৎসম = তদ + সম।
দ এর পর হ থাকলে হ স্থানে ধ হয়। যেমন- পদ্ধতি = পদ + হতি।
ধ এর পরে ক থাকলে ধ স্থানে ৎ হয়। যেমন-
ধ এর পরে ত থাকলে ধ স্থানে ৎ হয়। যেমন-
ধ এর পরে প থাকলে ধ স্থানে ৎ হয়। যেমন- ক্ষুৎপিপাসা = ক্ষুধ + পিপাসা।
ধ এর পরে স থাকলে ধ স্থানে ৎ হয়। যেমন-
প এর পর স্বরধ্বনি থাকলে উক্ত প স্থানে ব হয়। যেমন-
ম এর পর যে কোনো বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম ধ্বনিটি সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি হয়। যেমন- শঙ্কা = শম + কা; সঞ্চয় = সম + চয়; সন্তাপ = সম + তাপ।
ম এর পরে ব থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- কিংবা = কিম + বা; সংবরণ = সম + বরণ; সংবাদ = সম + বাদ; স্বয়ংবরা = স্বয়ম + বরা।
ম এর পরে য থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংযম = সম + যম; সংযোগ = সম + যোগ; সংযোজন = সম + যোজন।
ম এর পরে র থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংরক্ষণ = সম + রক্ষণ।
ম এর পরে ল থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংলাপ = সম + লাপ।
ম এর পরে শ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংশয় = সম + শয়; সংশোধন = সম + শোধন।
ম এর পরে ষ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন-
ম এর পরে স থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সর্বংসহা = সর্বম + সহা; সংসার = সম + সার।
ম এর পরে হ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। যেমন- সংহার = সম + হার।
ষ-এর পরে ত থাকলে ত স্থানে ট হয়। যেমন- কৃষ্টি = কৃষ্ + তি।
ষ-এর পরে থ থাকলে থ স্থানে ঠ হয়। যেমন- ষষ্ঠ = ষষ্ + থ।
স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে চ্ছ হয়। যেমন- একচ্ছত্র = এক + ছত্র; কথাচ্ছলে = কথা + ছলে; পরিচ্ছদ = পরি + ছদ।
বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি হচ্ছে উত্থান = উৎ + স্থান; উত্থাপন = উৎ + স্থাপন; পরিষ্কার = পরি + কার; পরিষ্কৃত = ; সংস্কৃত = সম + কৃত; সংস্কৃতি = ইত্যাদি।
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি : সন্ধি কোনো নিয়ম অনুসারে হয় না; এগুলোকে নিপাতনে সন্ধি বলে। অক্ষৌহিনী = অক্ষ + উহিণী, অন্যান্য = অন্য + অন্য; আশ্চর্য = আ + চর্য; একাদশ = এক + দশ; কুলটা (কুলাটা নয়) = কুল + অটা; গবাক্ষ (গবক্ষ নয়) = গো + অক্ষ; গোষ্পদ = গো + পদ; তস্কর = তৎ + কর; পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি; পরস্পর = পর + পর; প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়) = প্র + ঊঢ়; বনস্পতি = বন + পতি; বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি; মনীষা = মনস + ঈষা; মার্তণ্ড = মার্ত + অণ্ড; শুদ্ধোদন = শুদ্ধ + ওদন; ষোড়শ = ষট + দশ ইত্যাদি।
বিসর্গ সন্ধিকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন-
র-জাত বিগর্স: র স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে র-জাত বিসর্গ বলে। যেমন- অন্তঃ - অন্তর, অহঃ - অহর, প্রাতঃ - প্রাতর, পুনঃ- পুনর ইত্যাদি। অন্তঃ + গত = অন্তর্গত, অন্তঃ + ধান = অন্তর্ধান, পুনঃ + আয় = পুনরায়, পুনঃ + উক্ত = পুনরুক্ত, অহঃ + অহ = অহরহ, পুনঃ + জন্ম = পুনর্জন্ম, পুনঃ + বার = পুনর্বার, প্রাথঃ + উত্থান = প্রাথরুত্থান, অন্তঃ + ভুক্ত = অন্তর্ভুক্ত, অন্তঃ + বর্তী = অন্তবর্তী।
স-জাত বিসর্গ: স স্থানে যে বিসর্গ হয় তাকে স-জাত বিসর্গ বলে। যেমন- নমঃ - নমস, পুরঃ - পুরস, শিরঃ - শিরস ইত্যাদি। নমস্কার = নমঃ + কার; পুরস্কার = পুরঃ + কার। তিরস্কার = তিরঃ + কার, পরিস্কার = পরিঃ + কার
- অতীত = অতি + ইত
- অতীব = অতি + ইব
- অত্যন্ত = অতি + অন্ত
- অত্যাশ্চর্য = অতি + আ + চর্য
- অত্যাচার = অতি + আচার
- অন্বীক্ষা = অনু + ঈক্ষা
- অভীষ্ট = অভি + ইষ্ট
- অভ্যাস = অভি + আস
- অধমর্ণ = অধম + ঋণ
- অধঃপাত = অধঃ + পাত
- অধীশ্বর = অধি + ঈশ্বর
- অন্তঃরাষ্ট্রীয় = অন্তঃ + রাষ্ট্রীয়
- অন্তরীক্ষ = অন্তঃ + ঈক্ষ
- অন্বীক্ষা = অনু + ঈক্ষা
- অন্বেষণ = অনু + এষণ
- অহঙ্কার = অহম + কার
- আচ্ছাদন = আ + ছাদন
- আমায় = আমা + এ
- আজ্ঞাধীন = আজ্ঞা + অধীন
- আশাতীত = আশা + অতীত
- আশীর্বাদ = আশীঃ + বাদ
- ইত্যাদি = ইতি + আদি
- উচ্চারণ = উৎ + চারণ
- উচ্ছেদ = উৎ + ছেদ
- উত্থান = উৎ + স্থান
- উড্ডীন = উৎ + ডীন
- উদগার = উৎ + গার
- উদযাপন = উৎ + যাপন
- উদ্ধত = উৎ + হত
- উদ্ধৃঙ্খল = উৎ + শৃঙ্খল
- উদ্ধার = উৎ + হার
- উত্তমর্ণ = উত্তম + ঋণ
- উপর্যুপরি- উপরি + উপরি
- উমেশ = উমা + ঈশ
- উল্লাস = উৎ + লাস
- উল্লেখ = উৎ + লেখ
- একত্রিত = একত্র + ইত
- কথাচ্ছলে = কথা + ছলে
- কথামৃত = কথা + অমৃত
- কথোপকথন = কথা + উপকথন
- কটাক্ষ- কটা + অক্ষ
- কান্না = কাদ + না
- কাঁচকলা = কাঁচা + কলা
- কিন্তু = কিম + তু
- কিন্নর = কিম + নর
- কিম্ভুত = কিম + ভূত
- কিংবা = কিম্ + বা
- কুলটা = কুল + অটা
- কৃদন্ত = কৃৎ + অন্ত
- কৃষ্টি = কৃ + তি
- ক্ষুধার্ত = ক্ষুধা + ঋত
- ক্ষুৎকাতর = ক্ষুধ + কাতর
- ক্ষুৎপিপাসা = ক্ষুধ + পিপাসা
- গত্যন্তর = গতি + অন্তর
- গবাক্ষ = গো + অক্ষ
- গবাদি = গো + আদি
- গবাস্থি = গো + অস্থি
- গবীশ্বর = গব + ঈশ্বর
- গবেষণা = গো + এষণা
- গায়ক- গৈ + অক
- গিরীন্দ্র = গিরি + ইন্দ্র
- গীস্পতি = গীঃ + গীত
- গোষ্পদ- গো + পদ
- ঘরকন্যা = ঘরকর + না
- ঘড়িয়াল = ঘড়ি + ইয়াল
- ঘোড়াড্ডিম = ঘোড়ার + ডিম
- চলচ্চিত্র = চলৎ + চিত্র
- চাদ্দিন = চার + দিন
- চাট্টি = চার + টি
- চাল্লাখ = চার + লাখ
- ছিন্ন- ছিদ্ + ন
- ছোড়দা = ছোট + দা
- জগন্নাথ = জগৎ + নাথ
- তন্বী- তনু + ঈ
- তৃষ্ণার্ত = তৃষ্ণা + ঋত
- দুচ্চার = দুৎ + চার
- দুরবস্থা = দুঃ + অবস্থা
- দুর্ঘটনা = দুঃ + ঘটনা
- দুর্দান্ত = দুঃ + দান্ত
- দুর্নীতি = দুঃ + নীতি
- দুর্ভাগ্য = দুঃ + ভাগ্য
- দশার্ণ = দশ + ঋণ
- দুঃশাসন = দুঃ + শাসন
- দ্বৈপায়ন = দ্বীপ + অয়ন
- ধনুবিদ্যা = ধনুঃ + বিদ্যা
- নদপকণ্ঠ = নদী + উপকণ্ঠ
- নাজ্জামাই = নাত + জামাই
- নাবিক- নৌ + ইক
- নায়ক = নৈ + অক
- নিরাকার = নিঃ + আকার
- নিরাপদ = নিঃ + আপদ
- নির্জীব = নিঃ + জীব
- নির্বাহ = নিঃ + বাহ
- নির্মাণ = নিঃ + মান
- নির্মাল্য = নিঃ + মাল্য
- নির্যাতন = নিঃ + যাতন
- নিষ্কাম = নিঃ + কাম
- নিষ্ঠা = নিঃ + ঠা / নিষ + থা
- নিষ্পাপ = নিঃ + পাপ
- নীরব = নিঃ + রব
- নীরস = নিঃ + রস
- নীলোৎপল = নীল + উৎপল
- ঢাকেশ্বর = ঢাকা + ঈশ্বর
- ঢাকেশ্বরী = ঢাকা + ঈশ্বরী
- প্রত্যাশা = প্রতি + আশা
- প্রত্যাশাপন্ন = প্রতি + আশা + আপন্ন
- পিত্রাদেশ = পিতৃ + আদেশ
- পদ্ধতি = পদ + হতি
- পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ
- পরীক্ষা- পরি + ঈক্ষা
- পশ্বধম- পশু + অধম
- পশ্বাচার = পশু + আচার
- পর্যন্ত- পরি + অন্ত
- পর্যালোচনা = পরি + আলোচনা
- পরীক্ষণ = পরি + ঈক্ষণ
- পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা
- প্রতীক্ষা = প্রতি + ঈক্ষা
- প্রত্যহ = প্রতি + অহ
- প্রত্যেক = প্রতি + এক
- পাবক = পৌ + অক
- প্রাতরাশ = প্রাতঃ + আশ
- প্রায়শ্চিত্ত = প্রায় + চিত্ত
- প্রিয়ংবদা = প্রিয়ম + বদা
- পিত্রালয় = পিতৃ + আলয়
- পুনরাদেশ = পুনঃ + আদেশ
- পুরস্কার = পুরঃ + কার
- ফণীন্দ্র = ফণী + ইন্দ্র
- বজ্জাত = বদ + জাত
- বধূক্তি = বধূ + উক্তি
- বধূৎসব = বধূ + উৎসব
- বহিষ্কার = বহিঃ + কার
- বড়দাদা = বড় + দাদা
- বাগজাল = বাক + জাল
- বাগধারা = বাক + ধারা
- বাগযন্ত্র = বাক + যন্ত্র
- বাগলোপ = বাক + লোপ
- বাগাড়ম্বর = বাক + আড়ম্বর
- বাগীশ = বাক + ঈশ
- বাচস্পতি = বাচঃ + পতি
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা
- বাচস্পতি = বাচঃ + পতি
- বাড়িওয়ালা = বাড়ি + ওয়ালা
- বেশকম = বেশি + কম
- বৃষ্টি- বৃষ + তি
- ভবন = ভো + অন
- ভয়ার্ত = ভয় + ঋত
- ভাবুক = ভৌ + উক
- ভাস্কর = ভাঃ + কর
- মনস্কাম = মনঃ + কাম
- মনস্কামনা = মনঃ + কামনা
- মনীষা- মনস + ঈষা
- মনোভিলাষ = মনঃ + অভিলাষ
- মন্বন্তর = মনু + অন্তর
- মস্যাধার = মসী + আধার
- মহীন্দ্র = মহী + ইন্দ্র
- মহৌষধি = মহা + ওষধি
- মহৈশ্বর্য = মহা + ঐশ্বর্য
- মার্তণ্ড = মার্ত + অণ্ড
- মাত্রাদেশ = মাতৃ + আদেশ
- মাত্রুপদেশ = মাতৃ + উপদেশ
- মাংসৌদন = মাংস + ওদন
- মিশকাল = মিশি + কাল
- মিশকালো = মিশি + কালো
- মীমাংসা = মিমান + সা
- শীতার্ত- শীত + ঋত
- যজ্ঞ = যজু + ন
- যথার্থ = যথা + অর্থ
- যথেচ্ছা = যথা + ইচ্ছা
- যদ্যপি = যদি + অপি
- যাচ্ছেতাই = যা + ইচ্ছেতাই
- যাচ্ঞা = যাচ + না
- যাবজ্জীবন = যাবৎ + জীবন
- যাবতীয় = যাবৎ + ঈয়
- যোগাযোগ = যোগ + যোগ
- রবীন্দ্র = রবি + ইন্দ্র
- রাজর্ষি = রাজা + ঋষি
- রাজ্ঞী = রাজ + নী
- রান্না = রাঁধ + না
- লঘূর্মি = লঘু + ঊর্মি
- শঙ্কা = শম্ + কা
- শচীন্দ্র = শচী + ইন্দ্র
- শরচ্চন্দ্র = শরৎ + চন্দ্র
- শরৎকাল = শরদ + কাল
- শান্ত = শাম + ত
- শীতার্ত = শীত + ঋত
- শোয়া = শো + আ
- ষড়ঋতু = ষট + ঋতু
- ষড়ানন = ষট + আনন
- ষড়মাস = ষট + মাস
- ষড়যন্ত্র = ষট + যন্ত্র
- ষড়ানন = ষট + আনন
- ষণ্মাস = ষট + মাস
- ষষ্ঠ = ষষ + থ
- ষোড়শ- ষট + দশ
- সঙ্গীত = সম + গীত
- সচ্চরিত্র = সৎ + চরিত্র
- সঞ্চয় = সম + চয়
- সতীন্দ্র = সতী + ইন্দ্র
- সতীশ = সতী + ঈশ
- সদ্ভাব = সৎ + ভাব
- সদুপদেশ = সৎ + উপদেশ
- সন্যাস = সম + ন্যাস
- সন্ধান = সম + ধান
- সন্ধি- সম + ধি
- সমীক্ষণ = সমি + ঈক্ষণ
- সম্মান = সম + মান
- সংখ্যা = সম + খ্যা
- সংগত = সম + গত
- সংগীত = সম + গীত
- সংঘ = সম + ঘ
- সংঘাত = সম + ঘাত
- সংবাদ = সম + বাদ
- সংরাগ = সম + রাগ
- সংলাপ = সম + লাপ
- সংসার = সম + সার
- সংস্কার- সম্ + কার
- সম্রাট = সম + রাট
- সারঙ্গ = সার + অঙ্গ
- সুবন্ত = সুপ + অন্ত
- সচ্চিন্তা = সৎ + চিন্তা
- সিংহ = সিন + হ
- সীমন্ত (সীঁথি) = সীম + অন্ত
- স্বল্প = সু + অল্প
- স্বয়ংবরা = স্বয়ম + বরা
- স্বাগত- সু + আগত
- স্বাধীকার = স + অধিকার
- সৃক্ত = সু + উক্ত
- হিংসা = হিন + সা
- ঔ + উ = আব + উ এর সূত্র প্রয়োগে সন্ধি হয়েছে ভাবুক।
- সন্ধিজাত শব্দ কোনটি- ক. ইন্দ্রজিৎ খ. ইত্যাদি গ. ইলিশ ঘ. ইতিহাস উত্তর. খ
- নিয়ম অনুসারে সন্ধি হয় না- কুলটা।
- যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনি স্ত, স্থ পরে থাকলে পূর্ববর্তী বিসর্গ অবিকৃত থাকে।
- সন্ধি বাংলা ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়? উত্তর: ধ্বনিতত্ত্ব।
- সন্ধির প্রধান সুবিধা হচ্ছে উচ্চারণের সুবিধা।
- সন্ধির উদ্দেশ্য হচ্ছে ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন।
- যে ক্ষেত্রে উচ্চারণের আয়াস লাঘব হয় কিন্তু ধ্বনিমাধুর্য রক্ষিত হয় না। সে ক্ষেত্রে সন্ধির বিধান নেই।
মোঃ মুক্তার হোসেন 01823989457